মনের অমিল, দাম্পত্য সম্পর্কে ভাঙন? নিচের উপাচারগুলোর মাধ্যমে দাম্পত্য সম্পর্ক গভীর করুন।

শেয়ার করুন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে :

বিয়ে আমাদের জীবনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। বিয়ের পর প্রত্যেক পাত্র পাত্রী চান সুখ শান্তিময় জীবন কাটাতে । একে অপরের আদর্শ জীবনসঙ্গী হতে। কিন্তু ছোটখাটো হোক বা বড়, বিবাহিত জীবনের কোন না কোন অংশে ঝামেলা লেগেই যায় এবং সংসারের এই ছোটখাটো ঝামেলা ধীরে ধীরে এমন রূপ দেখা দেয় যে দাম্পত্য সম্পর্কে ভাঙন ধরতে শুরু করে এবং আমাদের জীবন অস্থিতিশীল হয়ে উঠে । বাস্তুশাস্র বিশেষজ্ঞরা এই বিষয়ে অনেক উপাচার বা নিয়ম কানুনের কথা বলেছেন , বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী কিছু উপাচার রয়েছে যা পালন করলে দাম্পত্য কলহ বা আশান্তি কিছুটা কমানো যেতে পারে। দেখে নিন কি কি উপাচার রয়েছে।

উপাচারগুলো কী কী—

  • প্রত্যেক দিন যদি সম্ভব নাও হয় তবু সপ্তাহে এক দিন কাঁচা দুধ এবং গঙ্গাজল একসঙ্গে মিশিয়ে সমস্ত বাড়িতে ছিটিয়ে দিতে হবে। এর ফলে বাড়িতে থাকা অশুভ শক্তির বিনাশ হবে এবং অশান্তি কমে যাবে ও সংসারে শান্তি বিরাজমান হবে । মনে করা হয় এ রকম করলে বাড়ির বাস্তুদোষও অনেকাংশে কমতে থাকে। তাই এটি অবশই আমাদের করতে হবে।
  • স্বামী স্ত্রীর মধ্যে সম্পর্কের গভীরতা বাড়ান শোবার ঘর সুন্দর করে সাজিয়ে রাখবেন এবং শোবার ঘরে অবশই ফুল রাখবেন । এতে আপনাদের মন স্বতঃস্ফূর্ত থাকে যার ফলে অশান্তি হয় না।
  • আপনার শোবার ঘরের খাট অবশ্যই উত্তর দিকে বা উত্তর-পূর্ব কোণে রাখতে হবে। এ ছাড়া খাট কখনও যেন দরজার সোজাসুজি রাখবেন না। খাট যাতে দরজার সোজাসুজি না থাকে সে দিকে অবশ্যই লক্ষ্য রাখতে হবে।
  • ছেঁড়া বা রং ফিকে হয়ে যাওয়া বিছানার চাদর অবশ্যই পরিহার করতে হবে ছেঁড়া বা রং ফিকে হয়ে যাওয়া বিছানার চাদর ব্যবহার করলে সংসারে অশান্তি হতে পারে । এর ফলে সম্পর্কে ভাঙন আসে খুব দ্রুত।
  • প্রদীপ আমাদের সাংসারিক জীবনকে উজ্জ্বল করে তাই মাটির বেশ কিছু প্রদীপ তৈরি করে প্রত্যেক দিন একটি করে প্রদীপ বাড়ির সদর দরজার সামনে সন্ধ্যাবেলা জ্বালুন। এতে অত্যন্ত সুফল পাওয়া যাবে।
  • বেডরুমের দক্ষিণ দিকের দেওয়ালে লাভবার্ড-এর ছবি লাগান।

দাম্পত্য কলহ বা আশান্তি মেটানোর জন্য উপরের বিষয়গুলি মেনে চলুন আপনার জীবনে আবার শান্তি ফিরে আসবে।


আরো পড়ুন


শেয়ার করুন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে :

Leave a Comment

Your email address will not be published.

Scroll to Top